Ads 468x60px

Buy Websites

Tuesday, August 11, 2015

sample of quotations



To,
The Editor,
NEWS BNA
Chittagong.

Ref : Regarding supply of quotations for Plastic ID Card and Name Tag.

Dated : Feb 23, 2015

Dear Sir,
For your kind information, we are one of the best plastic ID card supplier.I do submit the rate of my firm hereunder.


PRODUCTS
PRICE
Full colour plastic card  with Soft plastic cover  and   ID clip
Tk 100.00 (One Hundred  ) Only/ pc

It may be mentioned here for your kind information that my firm has been supplying ID cards to Govt. and non- govt  organizations  with reputations for some years.
In view of these facts I hope that you would kindly accept  my quotation and issue work-order in favour of my firm.
­­
Faithfully Yours,

        

---------------------------
s/d Md. Manirul Islam
     (Technical Advisor)

Friday, July 31, 2015

CREST FOR PSC OR JSC

WE MAKE CREST FOR  THOSE WHO WON GPA 5 IN PSC OR JSC,
ONLY TK 150 (FREE DELIVERY)
CALL US 01675429143

ONLY BDT 300

YOU CAN KEEP YOUR MEMORY ALIVE ON A CERAMIC MUG, USING ONLY BDT 300
CALL US : 01675 429143, 01815 232210


Friday, July 3, 2015

দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে সরকারের অঙ্গীকার - প্রফেসর মোশতাক আহমদ


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত মহাজোট সরকার ২০২১ সালের মধ্যে দেশে বিরাজমান দারিদ্র দূরীকরণ করতঃ বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছিল তাদের নির্বাচনী কর্মসূচীর মাধ্যমে। বর্তমান সরকার সে অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে নিরলসভাবে বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে যাচ্ছে।
এ কথা সত্য যে, সরকার কর্তৃক ঘোষিত সকল কর্মসূচী সরকারের অবশিষ্ট মেয়াদকালে বাস্তবায়ন করা  সম্ভবপর হবে না বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারনে। তবে সরকারের আন্তরিকতার অভাব নেই ইতিমধ্যে গৃহীত পদক্ষেপগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নে। সরকার কর্তৃক স্বল্প মেয়াদী, দীর্ঘ মেয়াদী বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত “একটি বাড়ি একটি খামার ” প্রকল্প বাস্তবায়নের কর্মকান্ড শুরু হয়ে গেছে।
বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র।তাদের জীবন জীবিকা নির্বাহের কোন উপায় নেই। তারা স্বাভাবিক জীবন যাপন করা থেকে বঞ্চিত। এ সব মানুষের দুঃখ দুর্দ্দশা লাঘব করে এদের জীবনে সচ্চলতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে বর্তমান মহাজোট সরকার গ্রামাঞ্চলের প্রত্যেকটি দরিদ্র পরিবারকে  এক একটি খামারে রূপান্তরিত করার জন্য কর্মকান্ড শুরু করে দিয়েছে । প্রত্যেকটি পরিবার হাঁস মুরগী পালন করে অথবা পতিত জমিতে চাষাবাদ করে যাতে স্বাবলম্বী হতে পারে সে লক্ষ্য অর্জনে সরকার অর্থ সাহায্য দিয়ে যাচ্ছে। আশা করা যায় সুফল ভোগীরা যদি পরম অধ্যবসায় সহকারে দায়িত্ব পালন করে যায় তাহলে তাদের জীবনধারাই বদলেযাবে অচিরে।
প্রতি পরিবারের একজন ব্যক্তিকে চাকরি প্রদান করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বর্তমান সরকার। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য নিরলসভাবে সরকার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। দেশকে উরমরঃধষ বাংলাদেশে রূপান্তরিত করে বৈশ্বিক যোগাযোগের মহাসড়কে বাংলাদেশকে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে প্রত্যেক ইউনিয়নে তথ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন করেছে সরকার। এতে গ্রামাঞ্চলের যুব সম্প্রদায় কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছে।
দারিদ্র দূরীকরণ তথা দেশকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। যে দেশের মানুষ যত শিক্ষিত সে দেশ ততই উন্নত। বৈজ্ঞানিক আবিস্কার
এবং বিভিন্ন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে দেশের সার্বিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে প্রচন্ড গতিবেগ সৃষ্টি করতে পারে
দেশের শিক্ষিত সমাজ। এ সত্য উপলব্ধি করে সরকার শিক্ষা ব্যবস্থায় এক নতুন মাত্রা যোগ করতে সক্ষম হয়েছে।
মাধ্যমিক স্কুল/মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের উপবৃত্তী প্রদান করা হচ্ছে এবং দশম শ্রেণী পর্যন্ত সকল স্তরের ছাত্র/ছাত্রীদের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ করা হচ্ছে। ২০১৪ সালের মধ্যে সরকার কর্তৃক ঘোষিত স্বাক্ষরতা অভিযান সফল করা গেলে দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে একটি দীর্ঘ মেয়াদী প্রভাব পড়বে যার ফলে জনগনকে বেকারত্বের অভিশাপে জর্জ্জরিত হতে হবে না। ফলে প্রতিটি পরিবার অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হতে আর কোন অসুবিধার সম্মুখীন হবে না।
সরকার ইতিমধ্যেই দেশের ১৬০০ মাধ্যমিক স্কুল/মাদ্রাসাকে এম.পি.ও ভুক্ত করে নিয়েছে এবং সে সঙ্গে ২৬০০ বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যলয়কে সরকারীকরণ করে দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক কর্মকান্ডের সূচনা করেছে।
বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ। দেশের অর্থনীতি বহুলাংশে কৃষি নির্ভর। অতএব, কৃষিক্ষেত্রে সংস্কার সাধন করে উৎপাদন বৃদ্ধি করা একান্ত প্রয়োজন এ ধারনার বশবর্তী হয়ে সরকার কৃষকদের সর্বাত্মক সাহায্য প্রদানে এগিয়ে এসেছে। উন্নতমানের এবং উচ্চফলনশীল ধানের বীজ উদ্ভাবনকল্পে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কৃষি বিজ্ঞানীদের আহ্বান জানানোর ফলে অতি সাম্প্রতিক কালে এ ধরনের ধানবীজ উদ্ভাবনে আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরা সফল হয়েছেন। সরকার অতি সুলভমূল্যে কৃষকদের বীজ ও সার সরবরাহ করে যাচ্ছে।
সরকার কৃষকদের অতি স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণ প্রদানের সুব্যবস্থা করে কৃষকদেরকে মহাজনদের শোষণ থেকে মুক্তি দিতে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়াও সরকার সমাজের দুঃস্থ নরনারীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে তাদের দারিদ্র নিরসনের লক্ষ্যে। এদরেকে নিয়মিত ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা,ঠ.এ.উ. প্রকল্প ইত্যাদি প্রবর্তণ করে দেশের মানুষের দারিদ্র লাঘবে সরকার সাফল্যের পরিচয় দিতে শুরু করেছে। আশা করা যায় আগামী দিনগুলোতে সরকার দেশের সার্বিক উন্নয়নে অধিকতর অবদান রাখার জন্য অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে রাষ্ট্রীয় কর্মকান্ড পরিচালনা করে যাবে।



Thursday, July 2, 2015

OUR CUSTOMER NAME



Customer List :
1. Ramu College
2. Moheshkhali College
3. BGB  Public School
4. Pahartali Adarsha KG School
5. Ershad  Smrity Bidyapith
6.Tekpara Govt. Primary School
7. Burmis Govt. Primary School
8. Purba Kharulia Govt. Primary School
9. Print Zone
10. Shishubagh Shikka Niketon
11. Hope Foundation
12. Jela Parishad
13. Shamlapur High School
14. Ranima Sublimation

Monday, June 29, 2015

জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশে এর বিরূপ প্রভাব -প্রেক্ষিত বৃহত্তর কক্সবাজারের উপকুলীয় এলাকা- প্রফেসর মোশতাক আহমদ

বর্তমানে বাংলাদেশে তাপমাত্রা যে হারে বৃদ্দি পাচ্ছে তাতে দিন দিন জন দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করতে চলেছে। কেবলমাত্র মানুষ নয় পশুপক্ষী সহ দেশের প্রাণীকুলও হাঁফিয়ে উঠছে। তাপমাত্রার অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে নানা ধরণের রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে সর্বস্তরের জনগণ। এমনটাতো আগে ছিল না। বর্তমানে প্রকৃতি কেন এমন আচরণ করতে শুরু করেছে?
আসুন, আমরা সমস্যাটা একটু খতিয়ে দেখি। আমরা জানি, আমাদের পৃথিবী নামক গ্রহটি বায়ুমন্ডর দ্বারা পরিবেষ্টিত। এ বায়ুমন্ডলের উপরিভাগে একটি বায়ু স্তর রয়েছে যা ওজোন স্তর নামে অভিহিত।  এ ওজোন স্তর ছাতার মতো এ গ্রহকে বহির্জাগতিক ক্ষতিকর অতি বেগুনি  রশ্মি প্রতিহত করে এ পৃথিবীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে। কিন্তু কোন কারণে যদি ওজোন স্তরের ক্ষতি সাধিত হয় তখন কিন্তু পরিনামে জলবায়ু বিরূপ আচরণ করতে শুরু করে।
বিশেষজ্ঞ মহলের অভিমত এই যে, বর্তমানে সারা বিশ্বের জলবায়ু ক্রমে ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। পরিনামে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ সৃষ্টি হচ্ছে যা জনজীবনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বায়ুমন্ডল উত্তপ্ত হবার কারণ ওজোন স্তরের ফাটলের মধ্য দিয়ে  অতি বেগুনি রশ্মি  সরাসরি ভূপৃষ্ঠে আঘাত হানছে। ফলে বায়ুমন্ডল ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনো অক্সাইড, মিথেন ইত্যাদি
Green House গ্যাসের পরিমান অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেলে তা ওজোন স্তরে ফাটল সৃষ্টি করে ক্ষতি সাধন করে।
বর্তমান যুগে জীবন যাপনের ক্ষেত্রে মানুষের বিভিন্ন পণ্য দ্রব্যের চাহিদা এমনভাবে বেড়ে গেছে যে, তার জোগান দিতে গিয়ে বিভিন্ন দেশে অনেক অনেক শিল্প কল-কারখানা স্থাপিত হচ্ছে আর সেসব কল-কারখানায় জৈব জ্বালানী পুড়ানোর ফলে প্রচুর পরিমানে Carbon dioxide নিঃসরণ হচ্ছে। তা ছাড়া যানবাহন থেকে প্রতিনিয়ত নির্গমণ হচ্ছে
Carbon monoxide এর। শহরাঞ্চলে স্তূপীকৃত আবর্জনা পচে গিয়ে সৃষ্টি হচ্ছে  Green Housegass এবং বিভিন্ন Mithane gas এর। এর ফলে আজ ওজোন স্তরের অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। অবিলম্বে এ সমস্যা মোকাবিলা করা অত্যন্ত জরুরী হয়ে পড়েছে। অন্যথায়, প্রকৃতি ও প্রাণী জগতের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যাবে অচিরে।শিল্পোন্নত দেশ সমূহ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ দেশ গুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদানে এগিয়ে এসেছে। কিন্তু শুধু অর্থ সাহায্যের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভবপর নয়। এর জন্য প্রয়োজন স্থায়ী সমাধান।
যতদিন যাচ্ছে ততই জলবায়ুর অনাকাঙ্খিত পরিবর্তণ ঘটছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে যেমনি ঘুর্ণিঝড়, টর্নেডো, অতিবৃষ্টি, খরা ইত্যাদি প্রকৃতি ও জনজীবনকে চরম বিপত্তির মুখে ঠেলে দিতে যাচ্ছে তেমনি উষ্ণ জলবায়ুর কারণে মেরু অঞ্চলে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে সঞ্চিত থাকা বরফ গলতে শুরু করেছে। এর ফলে সমুদ্রের জল স্তরের উচ্চতা বেড়ে চলছে। অবস্থা এমনভাবে চলতে থাকলে অতি অল্প সমযের মধ্যে সমগ্র বিশ্বের দ্বীপাঞ্চল, সমুদ্রকূলবর্তী দেশগুলোর অধিকাংশ নি¤œাঞ্চল সমুদ্রের তলদেশে তলিয়ে যাবে।  আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশও আজ অনেকটা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি। বিশেষ করে কক্সবাজারের
St. Martin দ্বীপ থেকে শুরু করে মহেশখালি, কুতুবদিয়া, সন্দীপ, ভোলা, হাতিয়া এবং উপকূলের নিকটস্থ অন্যান্য দ্বীপ সমূহ সহ উপকূলভাগের অধিকাংশ ভূমি সাগরজলে তলিয়ে যাবে- এতে কোন সন্দেহ নেই। এর ফলে সে সব অঞ্চল তথা কক্সবাজারের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসরত মানুষগুলো জলবায়ুজনিত উদ্বাস্তুতে পরিনত হবে। তাদের ধনসম্পদ বাড়িঘর, জায়গা জমি সব হারিয়ে তারা দেশের অভ্যন্তরভাগে আশ্রয় নিতে বাধ্য হবে।
এদের পূর্নবাসনের জন্য প্রয়োজন হবে প্রচুর ভূমির। স্বাভাবিকভাবেই  কক্সবাজারের ফসলী জমি কিংবা পাহাড়ি অঞ্চল সমূহ বেদখল হযে যাবে। এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট হবে। দেশের অর্থনীতির উপর পড়বে বিরূপ প্রভাব।
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া, মহেশখালী, সেন্টমার্টিন দ্বীপসহ উপকূলীয় অঞ্চলের বিরাট এলাকা হারিয়ে ফেলব আমরা যার কারণে লবণ, মৎস্য শিল্পও সাংঘাতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। অতএব, কক্সবাজার অঞ্চলের জনগণকে এ ব্যাপারে সচেতন করতে হবে।  পহাড় কাটা, বনভূমি উজাড় করা বন্ধ করতে হবে। বেশী বেশী গাছ লাগানোর জন্য উৎসাহিত করতে হবে। যতটুকু সম্ভবপর পরিবেশ রক্ষায় আমাদের ভূমিকা যথাযথভাবে পালন করা অত্যন্ত জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে।


                                                                 ---০০০---
 

Sample text

Sample Text



 
Blogger Templates